মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

আমাদের অর্জন সমূহ

১) বৃহত্তর যশোর জেলার (যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, নড়াইল) প্রাথমিক মৃত্তিকা জরিপ (Reconnaissance Soil Survey) সম্পন্ন এবং প্রতিবেদন প্রণয়ন।

২) ১৯৮৭-২০০২ সালের মধ্যে আধাবিস্তারিত মৃত্তিকা জরিপের (Semi-detailed Soil Survey) মাধ্যমে ২১ টি উপজেলার জরিপ কার্যক্রম সম্পন্নকরণ এবং উপজেলা ভূমি ও মৃত্তিকা সম্পদ ব্যবহার নির্দেশিকা প্রণয়ন।

৩) ১৪ টি উপজেলার নবায়নকৃত জরিপ (Updating Soil Survey) সম্পন্নকরণ, ৫ টি উপজেলার  ভূমি ও মৃত্তিকা ব্যবহার নির্দেশিকা নবায়নকরণ এবং ৯ টি উপজেলার প্রতিবেদন প্রকাশনার প্রক্রিয়াধীন।

৪) স্থান ভিত্তিক সুষম মাত্রায় সার ব্যবহারের নিমিত্তে ৫৬ টি ভূমি, মাটি  ও সার সুপারিশ সহায়িকা (ইউনিয়ন সহায়িকা) প্রনয়ণ।

5) 33 টি ইউনিয়নের সার সুপারিশ ফেস্টুন প্রণয়ন।

৬) স্থায়ী গবেষণাগারের মাধ্যমে ফসল/ফসলবিন্যাস ভিত্তিক চাহিদা মোতাবেক প্রায় ৫০০০  জন কৃষকের মাটি পরীক্ষা পূর্বক সার সুপারিশ কার্ড প্রদান।

৭) মৃত্তিকা উর্বরতা ও পরিবীক্ষণ কার্যক্রমের  আওতায় প্রায় ৫০ জন কৃষককে মাটির স্বাস্থ্য কার্ড প্রদান।

৮) ভ্রাম্যমাণ মৃত্তিকা পরীক্ষাগারের মাধ্যমে প্রতি বছর ২ মৌসুমে (রবি, খরিফ-২) ৬ টি উপজেলার প্রায় ৩০০ জন কৃষকের মাটি পরীক্ষা পূর্বক ফসল/ফসলবিন্যাস ভিত্তিক মোট প্রায় ৮০০০ টি সার সুপারিশ কার্ড প্রদান।

৯) যশোর সার পরীক্ষাগার ও গবেষণা কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রায় ১৪০০ টি সারের নমুনার বিশ্লেষণ পূর্বক প্রত্যাশী সংস্থার নিকট ফলাফল প্রেরণ করা হয়েছে যাহা এতদঞ্চলের সারের গুণগত মান নিয়ন্ত্রনে ভূমিকা রেখে চলেছে।

১০) লবণাক্ততা প্রতিবেদন ২০০৯ প্রণয়ন।

১১) লবণাক্ততা পরিবীক্ষণ কার্যক্রমের আওতায় নির্দিষ্ট সাইট থেকে প্রতিমাসে সংগৃহীত মাটি ও পানির নমুনার লবণাক্ততা নির্ণয় পূর্বক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে প্রেরণ।

১২) অনলাইনে স্থানভিত্তিক মাটির উর্বরতামান অনুসারে সার সুপারিশ।

১৩) অফলাইনে স্থানভিত্তিক মাটির উর্বরতামান অনুসারে সার সুপারিশ।

১৪) সুষম মাত্রায় সার প্রয়োগের নিমিত্তে মাটি পরীক্ষার জন্য কম্পোজিট মৃত্তিকা নমুনা সংগ্রহ পদ্ধতি প্রণয়ন।

১৫) সারের গুণগত মান নির্ণয়ের জন্য সারের নমুনা সংগ্রহ পদ্ধতি প্রণয়ন।

১৬) মাঠ পর্যায়ে সহজে ভেজাল সার সণাক্তকরণ পদ্ধতি উদ্ভাবন।

১৭) ভূমি, মাটি ও সার ব্যবস্থাপনা বিষয়ক জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রায়  ১৫০ জন সম্প্রসারণ কর্মকর্তা,  প্রায় ৮০০ জন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা এবং প্রায় ৯৫০ জন সারের ডিলার কে প্রশিক্ষণ প্রদান।

১৮) মাটি পরীক্ষার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা, মাটির নমুনা সংগ্রহ পদ্ধতি, সুষম সার ব্যবহার পদ্ধতি, ভেজাল সার সণাক্তকরণ পদ্ধতি, পুষ্টি উপাদানের অভাবজনিত লক্ষণ, রাসায়নিক সার প্রয়োগের সময় ও পদ্ধতি, ফসল উৎপাদনে মাটির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, জৈব সার প্রস্তুত ও ব্যবহার পদ্ধতি এবং ফসল উৎপাদনে মাটি ও পানির লবণাক্ততা ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রায় ১০,০০০ জন কৃষককে প্রশিক্ষণ প্রদান।

১৯) বিস্তারিত জরিপের মাধ্যমে প্রত্যাশী সংস্থার চাহিদা মোতাবেক BADC, CDB ও BJRI ফার্মের প্রতিবেদন প্রণয়ন।

২০) গুরুত্বপূর্ণ মানচিত্র প্রণয়ন

  • ভূমি ব্যবহার মানচিত্র (১৯৭৫, ১৯৯৬, ২০০৪)।
  • ভূ-প্রকৃতি মানচিত্র (১৯৯৭, ২০১৭)।
  • সমস্যাক্লিষ্ট মৃত্তিকা মানচিত্র (১৯৯৭)।
  • সাধারন মৃত্তিকা মানচিত্র (১৯৯৭)।
  • ভূমি ব্যবহার এবং এইজেড একক (১৯৯৮)।
  • কৃষি পরিবেশ অঞ্চল মানচিত্র (১৯৯৮)।
  • নিষ্কাশন মানচিত্র (১৯৯৮)।
  • বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের অবস্থা সম্পর্কিত মানচিত্র (২০১০)।
  • মৃত্তিকা লবণাক্ততা মানচিত্র (১৯৭৩, ২০০০, ২০০৯)।
  • ভূপৃষ্ঠস্থ পানির লবণাক্ততা মানচিত্র (২০১৬)।
  • মৃত্তিকা বুনট মানচিত্র (১৯৯৮)।
  • মৃত্তিকা ও ভূমিরুপ মানচিত্র (বৃহত্তর যশোর জেলার ২১ টি উপজেলা)।

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter